Posts

ই-নামজারি সিস্টেমে নামজারি আবেদন নিষ্পত্তি করার বিষয়ে নির্দেশনা।

  গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ভূমি মন্ত্রণালয ভূমিসেবা ডিজিটাইজেশন মনিটরিং সেল বাংলাদেশ সচিবালয় ঢাকা-১০০০। www.minland.gov.bd ২ শ্রাবণ ১৪২৯ ১৭ জুলাই ২০২২ নম্বর: ৩১,০০,০০০০,০৫৭,৩১,০০১,২২,৫                                           তারিখ: পরিপত্র বিষয় : ই-নামজারি সিস্টেমে  নামজারি আবেদন নিষ্পত্তি করার বিষয়ে নির্দেশনা। ভূমি মন্ত্রণালয়ের সেবা সহজীকরণের লক্ষ্যে ই-নামজারি সিস্টেমে ক্রয়সূত্রে নামজারি ফরম সম্প্রতি চালু করা হয়েছে। ই-নামজারি নতুন ফরম চালু করার ফলে ডিজিটাল ভূমিসেবা সিস্টেমে (ই-নামজারি/ ই-খতিয়ান/ ডিজিটাল এলডি ট্যাক্স) কিংবা ভূমি অফিসে সংরক্ষিত নেই এমন কোনো তথ্যের ঘাটতি থাকলেই নামজারি আবেদন না-মঞ্জুর করা যাবে না। নামজারি মামলার ১ম আদেশে কোন দলিলপত্রের ঘাটতি থাকলে তা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করে দাখিলের জন্য অনুরোধ জানাতে হবে। সাধারণভাবে ৭ (সাত) কার্য দিবস কিংবা আবেদন বিবেচনা করে যুক্তিসংগত সময় দেয়া যাবে। উক্ত সময়ের মধ্যে ...

জমির মালিকানা যাচাই এবং জমির খতিয়ান / পর্চা বের করার নিয়ম পদ্ধতি

Image
 বাংলাদেশ ঘনবসতি পর্ণ  একটি দেশ, এ দেশে জনগণের তুলনায় জমির পরিমান অনেক কম। এই জন্য দিন দিন জমির দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর জন্য দলিল এর মধ্যে বিভিন্ন সমসার  হছে।  এই জন্য বাংলাদেশ সরকার জমির মালিক, জমির খতিয়ান /পর্চা  বের করার জন্য প্রযুক্তি ব্যবহার করছে, যার ফলে আমরা ঘরে বসে জমির মালিক, জমির খতিয়ান /পর্চা  বের করতে পারবো। জমির খতিয়ান বা পর্চা কি? জমির খতিয়ান বা পর্চা একই জিনিস। জমির ক্ষেত্রে খতিয়ান অর্থ হইল ‘হিসাব। মূলত সরকারি ভাবে জমির মালিকানা প্রকাশ এর জন্য যে দলিল করা হয় তাকে খতিয়ান বলে।  এলাকা ভেদে এটি ভিন্ন নাম হতে পারে। খতিয়ানে কি কি উল্লেখ থাকে? মালিকানা তথ্য সহ খতিয়ানে অনেক কিছু থাকে।  যেমনঃ মি দখলদারের নাম, ঠিকানা, পিতার নাম ও প্রজা বা দখলদার কোন শ্রেণীভুক্ত। প্রজা বা দখলদার কর্তক জমির অবস্থান, পরিমান ও সীমানা। জমির মালিকের নাম, পিতার নাম ও ঠিকানা। এস্টেটের মালিকের নাম, পিতার নাম ও ঠিকানা। খতিয়ান তৈরি করার সময় খাজনার পরিমান ও ২৮,২৯,৩০ বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত খাজনা। গরু চরণভুমি, বনভুমি ও মৎস খামারের জন্য ধারণকৃত অর্থ। খাজনার যে পদ...

দলিল বাতিল করার পদ্ধতি

Image
  দলিল বাতিল করার পদ্ধতিঃ কয়েক প্রকারের দলিল আছে, যেগুলো সম্পত্তি হস্তান্তরের দলিল নয়, যেমন- বায়নাপত্র দলিল, পাওয়ার অব অ্যাটর্নি (আমমোক্তারনামা) দলিল, উইল দলিল, অছিয়ত দলিল, চুক্তিপত্র দলিল রেজিস্ট্রি অফিসে “… বাতিলকরণ দলিল” রেজিস্ট্রির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দলিলের পক্ষগণ সকলের সম্মতিতে একত্রে দলিল সম্পাদনের মাধ্যমে বাতিল করতে পারেন। সম্পত্তি হস্তান্তরের বিভিন্ন দলিল যেমন, সাফ কবলা, দানপত্র, হেবার ঘোষণাপত্র, হেবাবিল এওয়াজ ইত্যাদি দলিল রেজিস্ট্রি অফিসে “…বাতিলকরণ দলিল” রেজিস্ট্রি করে বাতিল করা যায় না। আইনগত ও যৌক্তিক কারণে বাতিলের প্রয়োজন হলে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করে বাতিলের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হয়।  এমনিভাবে রেজিস্ট্রিকৃত জাল দলিল বাতিলের ক্ষমতা সাব-রেজিস্ট্রার এর নেই। জাল দলিল বাতিলের ক্ষমতা আদালতের উপর ন্যস্ত করা হয়েছে। তাই দলিল জাল হলে জাল দলিলটি বাতিলের জন্য আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।    সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৩৯ ধারায় রেজিস্ট্রিকৃত দলিল বাতিলের পদ্ধতি লেখা রয়েছে। এ ধারা মোতাবেক, যে কোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি বাতিল কিংবা বাতিলযোগ্য, যার...

জমির পরিমাণ বের করার সূত্র

Image
  জমি পরিমাপের সূত্রঃ প্রথমে জমিখণ্ডের দৈর্ঘ্য ও প্রস্ত কত ফুট তা বের করুন। জমির চার দিকের মাপ সমান না হলে দৈর্ঘ্য ও প্রস্তের গড় বের করুন। এরপর দৈর্ঘের সাথে প্রস্তের গুনফলকে ৪৩৫.৬ দ্বারা ভাগ করুন। এতে যা বের হবে, সেটাই জমির পরিমাণ (শতাংশে)। “জমি পরিমাপ ক্যালকুলেটর” মোবাইল অ্যাপটি ফ্রি ইন্সটল করতে এখানে ক্লিক করুন।