বাংলাদেশ ঘনবসতি পর্ণ একটি দেশ, এ দেশে জনগণের তুলনায় জমির পরিমান অনেক কম। এই জন্য দিন দিন জমির দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর জন্য দলিল এর মধ্যে বিভিন্ন সমসার হছে। এই জন্য বাংলাদেশ সরকার জমির মালিক, জমির খতিয়ান /পর্চা বের করার জন্য প্রযুক্তি ব্যবহার করছে, যার ফলে আমরা ঘরে বসে জমির মালিক, জমির খতিয়ান /পর্চা বের করতে পারবো।
জমির খতিয়ান বা পর্চা কি?
জমির খতিয়ান বা পর্চা একই জিনিস। জমির ক্ষেত্রে
খতিয়ান অর্থ হইল ‘হিসাব। মূলত সরকারি ভাবে জমির মালিকানা প্রকাশ এর জন্য যে দলিল করা হয় তাকে খতিয়ান বলে। এলাকা ভেদে এটি ভিন্ন নাম হতে পারে।
খতিয়ানে কি কি উল্লেখ থাকে?
মালিকানা তথ্য সহ খতিয়ানে অনেক কিছু থাকে। যেমনঃ
মি দখলদারের নাম, ঠিকানা, পিতার নাম ও প্রজা বা দখলদার কোন শ্রেণীভুক্ত।প্রজা বা দখলদার কর্তক জমির অবস্থান, পরিমান ও সীমানা।জমির মালিকের নাম, পিতার নাম ও ঠিকানা।এস্টেটের মালিকের নাম, পিতার নাম ও ঠিকানা।খতিয়ান তৈরি করার সময় খাজনার পরিমান ও ২৮,২৯,৩০ বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত খাজনা। গরু চরণভুমি, বনভুমি ও মৎস খামারের জন্য ধারণকৃত অর্থ।খাজনার যে পদ্ধতিতে নির্ধারিত করা হয়েছে তার বিবরণ।২৬ ধারা মোতাবেক নির্ধারিত এবং ন্যায়সঙ্গত খাজনা।খাজনা বৃদ্ধিক্রম থাকলে তার বিবরণ।ইজারাকৃত জমির ক্ষেত্রে জমির মালিকের অধিকার ও কর্তব্য।প্রজাস্বত্ব বিশেষ শর্ত ও তার পরিনতি।পথ চলার অধিকার ও জমি সংলগ্ন অন্যান্য অধিকার।নিজস্ব জমি হলে তার বিবরণ।খতিয়ান নং, মৌজা নং, জেএল নং, দাগ নং, বাট্রা নং, এরিয়া নং ইত্যাদি উল্লেখ থাকে।
খতিয়ানের প্রকারভেদ
খতিয়ান সাধারণত চার ধরনের রয়েছে।
সিএস খতিয়ান। (Cadastral Survey)এসএ খতিয়ান । (State Acquisition Survey)আরএস খতিয়ান। (Revisional Survey)বিএস খতিয়ান/সিটি জরিপ। (City Survey)
Comments
Post a Comment